ব্রেকিং:
পদ্মাসেতুতে বসানো হলো ২৭তম স্টিলের কাঠামো (স্প্যান) করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় রোববার থেকে টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান শুরু করতে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর দেশের ৬২ জেলায় করোনা মোকাবিলায় সক্রিয় সেনাবাহিনী টেলিসেবা নিতে চিকিৎসকদের তালিকা প্রকাশ করলো আ.লীগ করোনা ভয়ে রোগীশূন্য হতে চলেছে রমেক
  • শনিবার   ২৮ মার্চ ২০২০ ||

  • চৈত্র ১৪ ১৪২৬

  • || ০৩ শা'বান ১৪৪১

Find us in facebook
সর্বশেষ:
রংপুর বিভাগের আট জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৭৬১ জন কুড়িগ্রামের ক্রীড়া সংগঠক মাইদুল ইসলাম আর নেই আদিতমারীতে নিখোঁজের একদিন পর মিলল নারী-শিশুর মরদেহ অটোরিকশার নগরী রংপুর এখন জনশূন্যতার নগরী করোনা রোগীদের চিকিৎসায় চীনের মতো হাসপাতাল হচ্ছে ঢাকায়
৮১১

‘ফজর’ নামাজের ফজিলত

দৈনিক রংপুর

প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮  

Find us in facebook

Find us in facebook

সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত ফজরের নামাজের সময়। ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের পর ফরজ নামাজ পড়তে হয়। ফজরের নামাজ মূলত দুই রাকাত সুন্নত ও দুই রাকাত ফরজ নামাজ নিয়ে গঠিত। ফরজ অংশ ইমামের নেতৃত্বে জামাতের সঙ্গে আদায় করা হয়।

উল্লেখ্য, ফজরের সময় শুরু হওয়া থেকে ইসলামের অন্যতম একটি স্তম্ভ রোজার সময়ও শুরু হয়। ফজরের নামাজ আদায়ে বিশেষ ৮টি উপকারী দিক নিচে তুলে ধরা হলো-

হাদিস শরিফে এসেছে-

(১) ফজরের নামাজে দাঁড়ানো, সারা রাত দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার সমান। ‘যে ব্যক্তি জামাতের সাথে এশার নামাজ আদায় করলো, সে যেন অর্ধেক রাত জেগে নামাজ পড়লো। আর যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়লো, সে যেন পুরো রাত জেগে নামাজ পড়লো।’ (মুসলিম শরিফ)

(২) ‘যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ পড়বে, সে আল্লাহর জিম্মায় থাকবে।’ (মুসলিম)

(৩) ফজরের নামায কেয়ামতের দিন নূর হয়ে দেখা দিবে-

‘যারা রাতের আঁধারে মসজিদের দিকে হেঁটে যায়, তাদেরকে কেয়ামতের দিন পরিপূর্ণ নূর প্রাপ্তির সুসংবাদ দাও।’ (আবু দাউদ)

(৪) সরাসরি জান্নাত প্রাপ্তি-

‘যে ব্যক্তি দুই শীতল (নামাজ) পড়বে, জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর দুই শীতল (নামাজ) হলো ফজর ও আসর।’ (বুখারী)

(৫) রিজিকে বরকত আসবে-

আল্লামা ইবনুল কাইয়িম (রহ.) বলেছেন, সকালবেলার ঘুম ঘরে রিজিক আসতে বাঁধা দেয়। কেননা তখন রিজিক বন্টন করা হয়।

(৬) ফজরের নামাজ পড়লে, দুনিয়া আখেরাতের সেরা বস্তু অর্জিত হয়ে যাবে-

‘ফজরের দুই রাকাত নামাজ দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে, সবকিছুর চেয়ে শ্রেষ্ঠ।’ (তিরিমিযি)

(৭) সরাসরি মহান রাব্বুল আলামীন আল্লাহর দরবারে নিজের নাম আলোচিত হবে-

‘তোমাদের কাছে পালাক্রমে দিনে ও রাতে ফেরেশতারা আসে। তারা আসর ও ফজরের সময় একত্রিত হয়। যারা রাতের কর্তব্যে ছিল তারা ওপরে উঠে যায়। আল্লাহ তো সব জানেন, তবুও ফিরিশতাদেরকে প্রশ্ন করেন, আমার বান্দাদেরকে কেমন রেখে এলে? ফেরেশতারা বলে, আমরা তাদেরকে নামাজরত রেখে এসেছি। যখন গিয়েছিলাম, তখনো তারা নামাজরত ছিল।’ (বুখারি)

(৮) ফজরের নামাজ দিয়ে দিনটা শুরু করলে, পুরো দিনের কার্যক্রমের একটা বরকতম সূচনা হবে। প্রিয়নবী (সা.) বলেছেন-

‘হে আল্লাহ! আমার উম্মতের জন্যে, তার সকাল বেলায় বরকত দান করুন।’ (তিরমিযী)

Place your advertisement here
Place your advertisement here