ব্রেকিং:
দিনাজপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ হাজার ৯৪৪ জনে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে বড় ভাই আদম আলীর ধারালো কাচির আঘাতে ছোট ভাই শাপলা মিয়া (৫০) নিহত
  • বুধবার   ২৫ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১০ ১৪২৭

  • || ০৯ রবিউস সানি ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় নির্মাণ অবকাঠামো হলো পদ্মাসেতু পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে সেবার মান দিনাজপুরে আশার আলো জাগিয়েছে ‘ব্রি ধান ৮৭’ কুড়িগ্রামে বিনামূল্যে সোলার হোম সিস্টেম বিতরণ চার এমওইউ স্বাক্ষর হতে পারে হাসিনা-মোদি ভার্চুয়াল বৈঠকে ৪৩তম বিসিএসে নিয়োগ পাবেন ১৮১৪ জন

প্রতিবন্ধী দুই ভাইকে বাড়ি দিচ্ছেন লালমনিরহাটের ডিসি

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী দুই ভাই শাহিন মিয়া ও সাজু মিয়ারে জন্য বসতবাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক আবু জাফর। সম্প্রতি ‘জমি আছে ঘর নেই’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ প্রকল্পের মাধ্যমে ওই দুই ভাইকে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় উপজেলা প্রশাসন।

জানা গেছে, তিস্তা নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার উত্তর সির্ন্দুনা গ্রামের পন্ডিতপাড়া এলাকার ওই দুই ভাইয়ের। এরপর থেকে রাস্তার ধারে ছোট ভাই শাহাজাতের বাড়িতে তাদের বসবাস। পরে চার মাস আগে তাদের অধিকার ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে এ দৃশ্য দেখতে পায় প্রতিবন্ধী গবেষক ও প্রশিক্ষক রুকশাহানারা সুলতানা মুক্তা। পরে প্রতিবন্ধী দুই ভাইকে নিয়ে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফরের কাছে হাজির হন তিনি। এসময় তাদের বসতবাড়ি নির্মাণ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন জেলা প্রশাসক আবু জাফর।

গত বৃহস্পতিবার ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বসত বাড়ি নির্মাণের কাজ চলমান। ১০/১৫ দিনের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার বসতবাড়ি পেয়ে বেশ খুশি শাহিন মিয়া ও সাজু মিয়া।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শাহিন মিয়া ও সাজু মিয়া বলেন, ‘অনেক দিন মেম্বার চেয়ারম্যানদের বাড়ি বাড়ি গিয়েছি। কিন্তু কেউ একটি ঘর দেয়নি। পরে মুক্তা আপার মাধ্যমে ডিসি স্যার আমাদের ঘর করে দেয়ার আশ্বাস দেয়। ডিসি স্যারের মাধ্যমে আমরা প্রধান মন্ত্রীর এ উপহার পেয়েছি এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমাদের এখন আর বাড়ি নিয়ে চিন্তা নেই। আমরা এক ভাই মুদির দোকান, এক ভাই গাভী পালনের প্রশিক্ষণ নিয়েছি। আমরা ভিক্ষা নয়, ব্যবসা করে বাঁচতে চাই।’

প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষক ও গবেষক রুকশাহানারা সুলতানা মুক্তা বলেন, ‘আমার প্রতিষ্ঠিত সার পুকুর প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সহযোগিতা নিয়ে জেলার প্রতিবন্ধীদের পুনঃবাসনে কাজ করছি। শাহিন ও সাজু মুদির দোকান ও গাভী পালনে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন সহযোগিতা করলে তাদের পুনঃবাসন করা সম্ভব।’

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, ‘দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না বলে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শাহিন ও সাজুকে বসতবাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়ার চেষ্টাও আমরা করব।’

Place your advertisement here
Place your advertisement here