ব্রেকিং:
দিনাজপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ হাজার ৬৬১ জনে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • বুধবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ১৩ ১৪২৭

  • || ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
২৭ জানুয়ারি করোনা ভ্যাকসিনেশনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী রংপুরে নির্মিত হচ্ছে আল্লাহর ৯৯ নামের স্তম্ভ সব জেলায় ৪-৫ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন পৌঁছে যাবে- পাপন দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় চাচা ভাতিজাসহ নিহত ৩ কৃষিকে আকর্ষণীয় পেশায় পরিণত করছে `রাইস ট্রান্সপ্লান্টার`

পীরগাছায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিষমুক্ত সবজি চাষ পদ্ধতি

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৫ জানুয়ারি ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

রংপুরের পীরগাছায় বিষমুক্ত সবজি চাষ পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে উৎপাদিত সবজির চাহিদা বেড়েছে। ফলে দাম ভাল পাওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, রাসায়নিক সার, বালাইনাশক ও আগাছানাশক বাদ দিয়ে সবুজ সার, কম্পোস্ট, জৈবিক বালাই দমন এবং যান্ত্রিক চাষাবাদ ব্যবহার করে শাকসবজি চাষই বিষমুক্ত জৈব সবজি উৎপাদন পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে প্রাকৃতিকভাবে ফসল উৎপাদনকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়। কোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না হওয়ায় ফসল দূষিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ফলে বিষমুক্ত নিরাপদ শাকসবজি উৎপাদন নিশ্চিত হয়।

উপজেলার তাম্বুলপুর ও ছাওলা ইউনিয়নে তিস্তার চরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, কৃষকরা বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনে জমিতে নেট ব্যবহার করছেন। এ পদ্ধতিতে উৎপাদিত ফসলের প্রচুর চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাই কৃষকরা এ পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদন করে বাজারজাত করছেন। বিষমুক্ত পদ্ধতিতে উৎপাদিত দেশি বেগুন, করলা, ফুলকপি ও পাতাকপি এখন বাজারেও পাওয়া যাচ্ছে।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে প্রতিটি ফসলে পোকার হাত থেকে বাঁচাততে কীটনাশক দিতে হয়। এতে সবজিও বিষযুক্ত হয়ে পড়ে। তাই কৃষকরা বিষমুক্ত সবজি আবাদে বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। তারা পোকার হাত থেকে রক্ষা পেতে পুরো সবজি ক্ষেত নেট জাল দিয়ে ঘিরে রাখছে। এই পদ্ধতিতে চাষকৃত জমিতে কীটনাশক দিতে হয় না। আবার পোকা-মাকড় ও পশু-পাখির অত্যাচার থেকে বাঁচা যায়।

চর তাম্বুলপুর গ্রামের সবজি চাষি আব্দুর রহমান বলেন, ‘কিছুদিন আগেও কীটনাশক ছাড়া কোন সবজিই উৎপাদন সম্ভব ছিল না। যখন জানতে পারি ওই সবজির মাধ্যমে আমরাও বিষ খাচ্ছি। তখন থেকেই বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন শুরু করছি।’

শিবদেব চরের কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, এখন মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন। তাই কীটনাশক দিয়ে উৎপাদিত সবজি কিনতে চায় না। তাই বিষমুক্ত সবজির চাহিদা বেড়েছে। দামও ভাল পাওয়া যাচ্ছে।

পীরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামিমুর রহমান বলেন, ‘উপজেলায় দিনদিন বিষমুক্ত সবজি চাষ বেড়েছে। বিষমুক্ত সবজি চাষে উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।’

Place your advertisement here
Place your advertisement here