শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১১ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

Find us in facebook
সর্বশেষ:
৭ আগস্ট থেকে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা শুরু। ডেমোক্র্যাট নেত্রী ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন একই দল থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কংগ্রেসের প্রথম হিন্দু সদস্য তুলসী গ্যাবার্ড। জনগণের সেবার উদ্দেশ্যেই ডাক্তার হতে হবে- স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস ও আতিকুল ইসলামকে সমর্থন দিয়েছে ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আ’লীগের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা।

পীরগাছার কৃষকরা কোমর বেঁধে নেমেছেন তিস্তার চরাঞ্চলে আগাম আলু চাষে

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩ ডিসেম্বর ২০১৯  

Find us in facebook

Find us in facebook

বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে রংপুরের পীরগাছার কৃষকরা তিস্তার চরাঞ্চলে আগাম আলু চাষ করছেন। আগাম জাতের আলু চাষে ঝুঁকি কম ও লাভ বেশি। তাই কৃষকরা কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৮ হাজার ৭৪৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০০ হেক্টরে আগাম জাতের আলু চাষ হবে। চরাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি আগাম জাতের আমন ধান লাগানো হয়েছিল। বর্তমানে ধান কাটা ও মাড়াই প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এখন চলছে আগাম আলু লাগানোর কাজ। এ জন্য জমি তৈরিসহ সার প্রয়োগ ও আলু রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) উপজেলার তিস্তা চরাঞ্চলের চর ছাওলা, গাবুড়ার চর, চর তাম্বুলপুর, রহমতের চর, শিবদেব চর ও চর জুয়ান গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, জমিতে আলু লাগানোর জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বেশির ভাগ জমিতে নারী শ্রমিকরা আলু রোপণের কাজ করছেন।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চলতি বছরে দু’দফা বন্যায় কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তিস্তার নিকটবর্তী এলাকার কৃষকরা। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তারা কোনো সহায়তা পাননি। ফলে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে তারা আগাম আলু চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের জুয়ানের চর গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম জানান, চরাঞ্চলের মাটি আলু চাষের জন্য খুবই উপযোগী। চরের বালুতে বৃষ্টিপাত হলেও আলুর তেমন ক্ষতি হয় না। তাই আগাম আলু চাষে ভয়ের কোনো কারণ নেই।

শিবদেব চরের কৃষক ফয়জার রহমান বলেন, ‘আগাম আলুর কেজি বিক্রি হবে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। তাই বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগাম আলু চাষ করছি।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামীমুর রহমান জানান, আগাম আলু চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেশি। চরাঞ্চলের বালু মিশ্রিত পলি মাটিতে আগাম আলুর ফলন ভালো হয়। তাই কৃষকরা আগাম আলু চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন।

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –
Place your advertisement here
Place your advertisement here
এই বিভাগের আরো খবর