ব্রেকিং:
চলে গেলেন বাংলা গানের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। কিছুক্ষণ আগে তিনি রাজশাহীতে মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ক্যান্সারে ভুগছিলেন। দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আরো ৩ হাজার ২০১ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৯৬ জনে দাঁড়িয়েছে। মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬১৮ জনে। করোনা কেড়ে নিল টনি পুরস্কারের জন্য মনোনীত এই ব্রডওয়ে তারকা নিক করদেরো প্রাণ। আজ সোমবার (৬ জুলাই) সকালে অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন স্ত্রী আম্যান্ডা কলুটস।
  • মঙ্গলবার   ০৭ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২২ ১৪২৭

  • || ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪১

Find us in facebook
সর্বশেষ:
টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদনে ভারত-পাকিস্থানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ প্রবাসী কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ কোরবানির আগে চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণের সুযোগ দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশে করোনার পিক আওয়ার ছিল জুন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শেখ হাসিনা
৯২

নিজের ধর্ষক ছেলেকেও পুড়িয়ে হত্যার দাবি জানালেন মা!

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২ ডিসেম্বর ২০১৯  

Find us in facebook

Find us in facebook

ভারতের হায়দরাবাদে পশু চিকিৎসক এক তরুণীকে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় চার অভিযুক্তকে গেফতার করেছে পুলিশ। ওই অভিযুক্তদের একজনের মা নিজের ছেলের চরম শাস্তির কথা সরাসরি বলেছেন।

এই গণধর্ষণ কাণ্ডে গোটা ভারত ক্ষোভে ফুঁসছে। দোষীদের চরম শাস্তির দাবিতে রাস্তায় নেমেছেন বহু মানুষ। দেশটির অন্যান্য রাজ্যেও প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।

এদিকে অভিযুক্তের মায়ের বক্তব্যের একটি ভিডিও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সেই ভিডিওটিতে তিনি বলেছেন, মেয়েটিকে যেভাবে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, আমার ছেলেকেও যেন সেভাবেই পুড়িয়ে মারা হয়।‌

পাশাপাশি হায়দরাবাদ কাণ্ডের নির্যাতিতার মায়ের প্রতিও সমবেদনা জানিয়েছেন অভিযুক্তের মা। এর আগে নির্যাতিতার মা প্রকাশ্যে বলেছেন, ‌অভিযুক্তদের শরীরে প্রকাশ্যে আগুন ধরিয়ে দেয়া হোক। এবার ধর্ষকের মাও সেই একই দাবি তুললেন।

গত বুধবার রাতে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে তেলেঙ্গানার ওই তরুণী চিকিৎসককে চার ট্রাক চালক ও ক্লিনার কৌশলে নিজেদের ফাঁদে ফেলে গণধর্ষণ করে। পরের দিন সকালে ওই তরুণীর আগুনে পুড়ে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে কম্বলে মুড়িয়ে পেট্রোল ও ডিজেল ঢেলে শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছিল।

এর পরপরই ধর্ষণ ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্ত সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদের ১৪ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। তবে নির্যাতিতার পরিবারের আক্ষেপ, পুলিশ যদি দ্রুত তৎপর হতো তাহলে হয়তো বাঁচানো যেত তরুণীকে।

নির্যাতিতার বোনের অভিযোগ, এক থানা থেকে অন্য থানায় ঘোরাঘুরি করতেই দুই থেকে তিন ঘণ্টা চলে যায়। যখন তল্লাশি শুরু হয়, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়।

Place your advertisement here
Place your advertisement here
আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর