• বৃহস্পতিবার   ১৩ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ৩০ ১৪২৮

  • || ৩০ রমজান ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭:১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা ভাষণ দিবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অসহায়-দুস্থ মানুষের কল্যাণে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার হিলি বন্দরে ৪দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ নীলফামারীতে শতাধিক শিশু পেল ঈদ উপহার এসপির ঈদ উপহার ও খাবার পেল রংপুরের সেই বৃদ্ধা

জিয়া ছিলেন পাকিস্তানের অনুগত সেনা অফিসার!

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১ মে ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

মেজর জিয়া প্রথম থেকেই জানতেন ২৫ মার্চ রাতে ইবিআরসি'র বাঙালি ব্যারাক লাইনে ২০ বালুচ রেজিমেন্ট ম্যাসাকার করলেও মেজর জিয়ার কিছুই হবে না। তিনি জানতেন পাকিস্তানিরা তাকে কৌশলে অন্য জায়গায় সরিয়ে রাখবে সে সময়। ইতিহাস সাক্ষি, ঘটনা তাই ঘটেছিলো।

তার উপর তার স্ত্রীর ব্যাপারটিও আমাদের বিবেচনায় আনতে হবে। যদি সত্যিকার অর্থে মেজর জিয়া বিশ্বাস করতেন যে, পাকিস্তানিরা সময় ও সুযােগ এলেই বাঙালির উপর হামলে পড়বে, তাহলে অবশ্যই তিনি চট্টগ্রামের নতুনপাড়া সেনানিবাসের অভ্যন্তরে অফিসার্স কোয়ার্টারে অবস্থিত তার প্রিয়তমা স্ত্রী ও শিশু সন্তান তারেক রহমানকে সেনানিবাসের বাইরে কোনও নিরাপদ আশ্রয়ে রেখে আসতেন। কিন্তু তিনি তা করেন নি।মেজর জিয়া জানতেন, যত যাই হােক, পুরাে সেনানিবাস ধ্বংস হয়ে যাক, বেগম জিয়ার কিছুই হবে না।

আসলে ঘটেছিলও তাই। ২৫ মার্চ রাত ১১:৩০টার সময় ২০ বালুচ রেজিমেন্ট ইবিআরসির আড়াই হাজার সৈন্যকে ঘুমন্ত অবস্থায় মেরে হতাহত করে পুরাে বাঙালি ব্যারাক ধ্বংস করে দিয়ে যে মহাযজ্ঞ সম্পন্ন করেছিল তার সামান্য আঁচড়ও বেগম জিয়াউর রহমানের গায়ে লাগেনি। তিনি নিরাপদে ২৬ মার্চ সকালে নতুনপাড়া সেনানিবাস থেকে রিক্সায় শিশুপুত্র তারেক রহমানকে নিয়ে নাসিরাবাদ হাউজিং সােসাইটিতে আশ্রয় নেন। সেখানে যখন জানতে পারলেন যে, তার স্বামী দলবল নিয়ে ষােলশহর সিডিএ মার্কেট থেকে রাত দুপুরে অজ্ঞাত স্থানে চলে গিয়েছেন, তখন তিনি সেদিনই চট্টগ্রাম ত্যাগ করে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু চকবাজার অলিখা মসজিদের উত্তরে মেডিক্যাল স্টাফ কোয়ার্টারের সামনে বেগম জিয়াকে বহনকারী রিক্সাকে তল্লাশি চালানাের জন্য স্থানীয় যুবকরা আটকালে সেখানে এক অভিপ্রেত ঘটনার জন্ম হয় এবং বেগম জিয়ার সেদিন আর ঢাকা যাওয়া সম্ভব হয় নি।

পরদিন ২৭ মার্চ দুপুর পর্যন্ত মেজর জিয়া কোথায় আছে সে খবর জানতে নাপারার কারণে অথবা পূর্ব পরিবল্পনানুযায়ী সেদিনই বিকেলে বেগম জিয়া সদরঘাট স্টিমারঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম ত্যাগ করেন। তারপর দিন ২৮ মার্চ বেগম জিয়া ঢাকায় পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং বাঙলাদেশ স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা সেনানিবাসে পাকিস্তানি সেনানায়ক জেনারেল জামশেদ খানের তত্ত্বাবধানে অবস্থান করেন।তার উপর মেজর জিয়া যে আগাগােড়াই পাকিস্তানের অনুগত ছিলেন তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হল যুদ্ধে তার অংশগ্রহণে অনীহা। পাঠক লক্ষ্য করুন, ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর জিয়া পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনও যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন এমন দাবী তিনি কোথাও করতে পারেন নি। এমন কী তার সতীর্থরাও দাবী করেন নি যে, তিনি কোনও যুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছেন।

সূত্রঃ যুদ্ধের ময়দান থেকে মেজর জিয়ার পলায়ন, সিরু বাঙালি।

Place your advertisement here
Place your advertisement here