• বৃহস্পতিবার   ১৩ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ৩০ ১৪২৮

  • || ৩০ রমজান ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭:১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা ভাষণ দিবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অসহায়-দুস্থ মানুষের কল্যাণে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার হিলি বন্দরে ৪দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ নীলফামারীতে শতাধিক শিশু পেল ঈদ উপহার এসপির ঈদ উপহার ও খাবার পেল রংপুরের সেই বৃদ্ধা

জাতির পিতা জানতেন কিভাবে বাংলাদেশের উন্নতি হবে- প্রধানমন্ত্রী

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৪ মে ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে দারিদ্র্য নির্মূলে বহুমুখী গ্রাম সমবায় সমিতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এটা পরীক্ষিত যে, বহুমুখী গ্রাম সমবায় যদি আমরা গড়ে তুলতে পারি তাহলে বাংলাদেশে কোন দারিদ্র থাকবে না। দারিদ্রটা সম্পূর্ণ নির্মূল হবে। সেটা আমরা করতে পারব।

৪৯তম জাতীয় সমবায় দিবস ২০২০ উদযাপন এবং জাতীয় সমবায় পুরস্কার ২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

সংবিধানে জাতির পিতা সমবায়ের কথা বলে গেছেন এবং তিনি বাধ্যতামূলক বহুমুখী সমবায়ের কথাও বলেছেন উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, জাতির পিতা জানতেন কিভাবে বাংলাদেশের উন্নতি হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের প্রচেষ্টায় সমবায় সমিতি এবং সমবায়ীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে এবং বর্তমানে সমিতির সংখ্যা ১ লাখ ৯০ হাজার ৫৩৪টি এবং এর সদস্য সংখ্যা ১ কোটি ১৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭৪৭ জনে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে সমবায়ের মোট সদস্যের মধ্যে মাত্র ২৩ শতাংশ নারী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী সমবায় কার্যক্রমে মহিলাদের সম্পৃক্ততা আরও বৃদ্ধি করার আহবান জানান।

তিনি বলেন, আরো বেশি করে মহিলাদের সমবায় কার্যক্রমে এগিয়ে আসা উচিত বলে আমি মনে করি। কারণ সমাজের অর্ধেক অংশইতো নারী। নারীরা যদি বেশি করে এগিয়ে আসে তাহলে দুর্নীতি একটু কমবে এবং কাজ বেশি হবে এবং প্রতিটি পরিবার উপকৃত হবে। কাজেই আমি মেয়েদেরকে আরো সামনে এগিয়ে আসার জন্য আহবান জানাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, কেবল একা খাব তা নয়, সবাইকে নিয়ে, সবাইকে দিয়ে খাব, সবাইকে নিয়েই কাজ করবো সেই চিন্তা-ভাবনাটাই সমবায়ে সবথেকে বেশি প্রয়োজন। আপনারা সেটাই করবেন-সেটাই আমরা চাই। যারা সমবায়ী তাদের প্রত্যেকেরই এখানে একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। সেভাইে আপনারা কাজ করে যাবেন যাতে বাংলাদেশকে আমরা ক্ষুধামুক্ত এবং দারিদ্রমুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে অনুষ্ঠানে এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এবং প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য সমবায় পুরস্কার ২০১৯ বিজয়ীদের মাঝে বিতরণ করেন।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রেজাউল আহসান স্বাগত বক্তৃতা করেন। সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো আমিনুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ইউনিয়নের সভাপতি শেখ নাদির হোসেন লিপু মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

দেশের সমবায় খাতের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে অনুষ্ঠানে একটি ভিডিও ডকুমেন্টারিও প্রচারিত হয়। সমবায় অধিদপ্তর প্রকাশিত ‘সমবায়ের সাফল্য গাঁথা’ শীর্ষক একটি বইয়ের মোড়কও অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উন্মোচন করেন।

Place your advertisement here
Place your advertisement here