ব্রেকিং:
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরো দুই হাজার ৫২৩ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। যা একদিনের আক্রান্তের পরিসংখ্যানে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪২ হাজার ৮৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
  • শনিবার   ৩০ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭

  • || ০৭ শাওয়াল ১৪৪১

Find us in facebook
সর্বশেষ:
রোববার থেকে গণপরিবহন চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে মালিক-শ্রমিকরা লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ টেকনিশিয়ানসহ আরো ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার ঢাবি ছাত্রলীগ নেতার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে দোয়া মাহফিল মানবিকতার উজ্জল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করলেন লালমনিরহাটের এসপি আবিদা
২৯

কোয়ারেন্টাইন মানতে বাধ্য করতে মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত অথবা হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা কোন ব্যক্তি বাইরে বের হচ্ছেন কিনা তা নজরদারিতে রাখার জন্য ট্র্যাকিং করা হচ্ছে মোবাইল ফোন। এর জন্য দেশটির টেলিকম পরিসেবার সাহায্য নিয়েছে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের সরকার।

করোনা বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সাহায্যে করোনা আক্রান্ত কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের ফোন নম্বরের লোকেশন ট্র্যাক করে সেগুলি কোথা থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে তার ওপর নজর রাখছে রাজ্যটির সরকার। এতে কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তি বাড়ির বাইরে গেলেই সেই তথ্য চলে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটটিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরইমধ্যে ২ লাখ ৫০০০ কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তির মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করা শুরু করেছে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার। আর এই তথ্য নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ডেটাবেস। যাতে রয়েছে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তির বাড়ির ঠিকানা ও এলাকা।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিরা তাদের বাড়ির থেকে ১০০ মিটারের বাইরে গেলেই সেই তথ্যের এলার্ট চলে যাবে সরকারি দপ্তর। আর তৎক্ষণাৎ সেই ব্যক্তিকে ফোন করে বাড়িতে ফিরে যেতে অনুরোধ করা হবে। আর তা না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।

এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তিরা কোন কোন জায়গায় বিচরণ করেছেন বা কার কার সংস্পর্শে এসেছেন সেটি খুঁজে বের করার জন্যও মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের সাহায্য নেয়া হচ্ছে। লোকেশন ট্র্যাক করে যেখানে আক্রান্ত ব্যক্তি ১৫ মিনিট বা তার বেশী সময় কাটিয়েছেন সেইসব স্থানগুলিকে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তারপর সেই স্থানগুলো ও তার আশেপাশের ২-৩ কিলোমিটার এলাকাকে স্যানিটাইজ করা হচ্ছে।

প্রয়োজনে আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হচ্ছে। এরইমধ্যে ২০ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিচরণ করা এলাকা তা চিহ্নিত করেছে সরকার।

Place your advertisement here
Place your advertisement here
আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর