ব্রেকিং:
রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করে চার জেলায় নতুন আরও ৭২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেন রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. একেএম নুরুন্নবী লাইজু। তিনি জানান, রমেকের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের পিসিআর ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে রংপুরে ৩৪ জন, কুড়িগ্রামে ১৬ জন, গাইবান্ধায় ১২ জন এবং লালমনিরহাটে ১০ জনের নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়। দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা শনাক্ত ৩৫৩৩, মৃত্যু ৩৩ দেশেই প্রথম হেলিপোর্ট তৈরির কাজ চলছে: বিমান সচিব রংপুরের পীরগাছায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যায় তিন আসামি গ্রেফতার রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ সাতক্ষীরা থেকে গ্রেফতার।
  • বৃহস্পতিবার   ১৬ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ৩১ ১৪২৭

  • || ২৫ জ্বিলকদ ১৪৪১

Find us in facebook
সর্বশেষ:
স্থানীয় সরকারকে ঢেলে সাজানোর চিন্তা করতে হবে: শেখ হাসিনা টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে ৮ হাজার কোটি টাকার ৪ প্রকল্প গ্রহণ ‘সেতু নির্মাণ প্রকল্প নেওয়ার আগে ভালোভাবে খতিয়ে দেখতে হবে কুড়িগ্রামে দ্বিতীয় দফা বন্যায় পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষ আ’লীগ ঐতিহ্যগত ভাবেই মানুষকে সহায়তা করে আসছে- কাদের
১০১

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি : প্রায় দু’লাখ মানুষ পানিবন্দী 

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। ধরলা ও ব্রহ্মপূত্র নদের পানি হু-হু করে বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার অনেক উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার ফলে জেলার ১৬টি নদ-দীর পানি অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার ৭৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫০টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে প্রায় দু’লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পরেছে।

করোনার কারণে টানা তিনমাস ঘরে বন্দি মানুষজনের কাছে চরম দুর্ভোগ নিয়ে এসেছে চলমান বন্যা। হাতে কাজ না থাকায় বিপাকে পরেছে দিনমজুর ও নিন্ম আয়ের মানুষ। বন্যায় মানুষের শুকনা খাবার,বিশুদ্ধ পানিসহ গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। দিনে-রাতে বৃষ্টির কারণে জ¦ালানী খড়-খড়ি নস্ট হয়ে যাওয়ায় বানভাসীদের দুর্ভোগ আরো বাড়িয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীরা। অপরদিকে গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্যসেবা ব্যহত হচ্ছে।  


কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানাযায়, বন্যায় ১ হাজার ৬৯২ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। তবে বেসরকারিভাবে নিমজ্জিত বা ক্ষতির পরিমাণ ৩ হাজার হেক্টর বলে সংশিষ্ট কৃষক ও ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে জানা গেছে।


অপরদিকে মৎস বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ না জানালেও ইতিমধ্যে শতাধিক পুকুর প্লাবিত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাছচাষীরা।


ইতোমধ্যে বানভাসীদের জন্য ৩০২ মে.টন চাল এবং ৩৬ লক্ষ ৬৮হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বন্যা কবলিতরা খাদ্য সংকটে না পরে এবং তাদের সম্পদ রক্ষা করাসহ নিরাপদে সড়িয়ে নেবার বিষয়ে জেলা-উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে বলে জানান জেলা প্রশাসক। 
 

Place your advertisement here
Place your advertisement here
রংপুর বিভাগ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর