ব্রেকিং:
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৬ জন মারা গেছেন। একই সময়ে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯০৮ জন
  • রোববার   ২৯ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৭

  • || ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
১৫ লাখ কৃষককে বিনামূল্যে হাইব্রিড বীজ দেবে সরকার দিনাজপুরে ঘন কুয়াশায় জেঁকে বসেছে শীত করোনার ভ্যাকসিন মানুষ সহজেই পাবে- সেতুমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের জবাব দেবে জনগণ- মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে রোডম্যাপ সরকারের

কুপ্রবৃত্তির অনুসারিদের শাস্তি

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

হজরত খালিদইবনে ওয়ালিদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি এক স্থানে সমকামে অভ্যস্ত এক লোকের সন্ধান পেয়ে তার ব্যাপারে খলিফা হজরত আবু বকর (রা.) এর পরামর্শ চাইলেন।

হজরত আবু (রা.) সাহাবীদের সঙ্গে পরামর্শ করেন এবং হজরত আলীর রায় অনুপাতে হজরত খালিদের কাছে নির্দেশ পাঠালেন, তিনি যেন তাকে আগুনে জ্বালিয়ে ফেলেন। নির্দেশ পেয়ে হজরত খালিদ ইবনে ওয়ালিদ উক্ত সমকামিকে আগুনে জ্বালিয়ে হত্যা করে ছিলেন। (আবিদ্দুনইয়া, বায়হাকী)।

হজরত আলী (রা.) বলেন,  ‘যে ব্যক্তি অন্যের নিকট নিজেকে সঁপে দেয় সমকামের জন্যে, আল্লাহ তার মধ্যে নারীদরে ন্যায় কামভাবের সৃষ্টি করে দেন। ওই ব্যক্তি মারা গেলে তাকে কিয়ামত পর্যন্ত কবরে শয়তানের আকৃতিতে রাখা হবে।

এ ব্যাপারে ওলামায়ে কেরামের ঐক্যমত রয়েছে যে, যে ব্যক্তি আপন দাসের সঙ্গে সমকামে লিপ্ত হয়, সে ‘লূতী’এবংমারাত্মক পাপে পাপী বলে গণ্য হবে।

একদা হজরত ঈসা (আ.) চলার সময় রাস্তার জনৈক লোককে আগুনে দগ্ধ হতে দেখে পানি দ্বারা আগুন নির্বাপিত করতে উদ্ধুত হলেন। তখনি সেই আগুন এক সুদর্শন বালকে পরিণত হলো, আর দগ্ধীভূত লোকটি পরিণত হলো আগুনে। অতঃপর হজরত ঈসা (আ.) এর দোয়া আল্লাহ তাদরে উভয়কে তাদের পার্থিব দেহে পুনরুজ্জীবিত করলেন। দেখা গেল, তাদরে একজন বয়স্ক পুরুষ আর একজন কিশোর। হজরত ঈসা (আ.) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের এ পরিণতি কেন? বয়স্ক লোকটি জবাব দিল, ‘হে রূহুলুল্লাহ!  দুনিয়ায় আমি এই কিশোরের প্রতি দুর্বল হয়ে উত্তেজনাবশত তার সঙ্গে দুষ্কর্মে লিপ্ত হয়ে পড়েছিলাম। পরিশেষে আমাদের উভয়ের মৃত্যুর পর আল্লাহ পাক এই শাস্তি দিচ্ছেন, আমি কিছু সময় আগুন হয়ে তাকে দগ্ধ করি। আবার কিছুসময় কিশোরটি আগুন হয়ে আমাকে দগ্ধ করে, কিয়ামত পর্যন্ত আমাদরে এই শাস্তি চলতে থাকবে।

স্ত্রীর বাহ্যদ্বার দিয়ে দিয়ে কিংবা ঋতুবতী অবস্থায় যৌন মিলনে রত হওয়া আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.) নিষিদ্ধ করেছেন। অবশ্য এ কাজ সমকাম কিংবা ব্যভিচারের পর্যায়ভুক্ত।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, 

نِسَآؤُكُمْ حَرْثٌ لَّكُمْ فَأْتُواْ حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ وَقَدِّمُواْ لأَنفُسِكُمْ وَاتَّقُواْ اللّهَ وَاعْلَمُواْ أَنَّكُم مُّلاَقُوهُ وَبَشِّرِ الْمُؤْمِنِينَ

‘তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর। আর নিজেদের জন্য আগামী দিনের ব্যবস্থা কর এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক। আর নিশ্চিতভাবে জেনে রাখ যে, আল্লাহর সঙ্গে তোমাদেরকে সাক্ষাত করতেই হবে। আর যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও।’(সূরা বাকারা, আয়াত-২২৩)।

এ আয়াতের শানে নুযুল হচ্ছে - রাসূল (সা.) এর যামানায় ইয়াহুদ সম্প্রদায়ের লোকেরা বলত যে, যে ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রীর যৌন ক্রিয়ায় পেছন দিক হতে উপগম হবে তার সন্তান হবে বিকলাঙ্গ অথবা কুচক্রী। এ সম্পর্কে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) রাসূল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলে  আল্লাহ ইয়াহুদদের মন্তব্য মিথ্যা প্রতিপন্ন করে উপরোক্ত আয়াত নাযিল করেন।

এক বর্ণনায় পাওয়া যায়, আবু হুরায়রা (রা.) কর্তৃক বর্ণিত রাসূল (সা.) বলেন,  যে ব্যক্তি স্ত্রীর সঙ্গে ঋতুকালীন সময়ে কিংবা পেছন পথে যৌন মিলন করে সে অভিশপ্ত। (আহমাদ,আবু দাউদ)।

আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূর (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি হায়েয অবস্থায় কিংবা বাহ্যদ্বার দিয়ে স্ত্রী সঙ্গম করল, অতবা গণকের কাছে গমণ করল, সে যেন মুহাম্মাদ (সা.) এর প্রতি অবতীর্ণ  অহীকে অস্বীকার করল। (তিরমিযী)।

হে আল্লাহ আমাদের সকলকে এ মহাপাপ থেকে রক্ষা করুন। আমরা এ থেকে আপনার ক্ষমা ও নিরাপত্তা কামনা করি।

Place your advertisement here
Place your advertisement here