• শনিবার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ১০ ১৪২৭

  • || ০৮ সফর ১৪৪২

Find us in facebook
৬৩

এখন থেকে অনলাইনেই পাওয়া যাবে গবেষণা সহায়তা 

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

এখন থেকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য গবেষণা সহায়তা মঞ্জুরী অনলাইনে দেয়া হবে।
কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ মঙ্গলবার ইউজিসিতে আয়োজিত অনলাইন সাবমিশন ফর রিসার্চ গ্র্যান্টস সফটওয়্যার উদ্বোধন করেন। 

ইউজিসি ওয়েবসাইটে অনলাইন আবেদনে ‘গবেষণা সহায়তা মঞ্জুরী’ ক্লিক করে সেবাগ্রহীতা তার কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে পারেন। এর জন্য সেবা প্রত্যাশিকে তার জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি দিয়ে নাম নিবন্ধন করতে হবে। 

ইউজিসি’র গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগ থেকে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বিদেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ, উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জন্য যাতায়াত খরচ, দেশের অভ্যন্তরে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কনফারেন্স, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও ওয়ার্কশপের জন্য সহায়তা এবং এমফিল, পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টোরাল গবেষণায় এ ধরনের সহায়তা দিয়ে থাকে। 

অনলাইন সাবমিশন ফর রিসার্চ গ্র্যান্টস সফটওয়্যার এর মাধ্যমে ইউজিসি’র প্রাতিষ্ঠানিক এসব সেবা সহজে পাওয়া যাবে। গবেষণা সহায়তা মঞ্জুরী খুব কম সময়েও সহজে প্রদান করা যাবে। আবেদনকারী গবেষণা সহায়তার আবেদনটি সর্বশেষ কোন পর্যায়ে রয়েছে তা জানতে পারবেন। পাশাপাশি, এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ও গবেষণা সহায়তার পরিমাণ জানা যাবে। 

ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে সফটওয়্যার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম। সভায় কমিশনের বিভাগীয় প্রধান ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ইউজিসি’র গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. ওমর ফারুখ ও আইএমসিটি বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান ‘অনলাইন সাবমিশন ফর রিসার্চ গ্র্যান্টস’ সফটওয়্যার এর কার্যকারিতা ও বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির ভাষণে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, অনলাইন সাবমিশন ফর রিসার্চ গ্র্যান্টস সফটওয়্যারটি ব্যবহার করলে কাউকেই আর ইউজিসিতে গবেষণা সহায়তা মঞ্জুরীর জন্য আসতে হবে না। এর মাধ্যমে সেবা দ্রুত পাওয়া যাবে। এটি ইউজিসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করবে এবং কর্ম পরিবেশ উন্নত করবে। সফটওয়্যারটির সুফল পেতে এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে বলে তিনি জানান। 

এ সময় তিনি উচ্চশিক্ষার সুফল পেতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ও ইউজিসি’র সেবা জনবান্ধব করার জন্য সংশ্লিষ্টদেরকে পরামর্শ দেন। 

সভাপতির ভাষণে প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমাদেরকে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে প্রযুক্তি ব্যবহারের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সব জায়গায় প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সফটওয়্যার তৈরি এবং এর মাধ্যমে সহজে সেবা প্রদান যেন বিঘ্নিত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতেও পরামর্শ দেন তিনি।

Place your advertisement here
Place your advertisement here
শিক্ষা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর