ব্রেকিং:
বিএনপি থেকে গণ পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়েছে পীরগাছার নেতা-কর্মীরা কুড়িগ্রামে সৈয়দ শামসুল হকের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত নীলফামারীতে ৩ লাখ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দিনাজপুরে ফেন্সিডিলসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভারতের সাবেক মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা যশবন্ত সিং মারা গেছেন। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোববার সকাল ৭টার দিকে দিল্লির আর্মি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।
  • সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ১৩ ১৪২৭

  • || ১০ সফর ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে- প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে ২০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক নীলফামারীতে ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটা মুহূর্তই ইতিহাসের অংশ- পলক ‘সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা শক্তিশালী করতে হবে’
১১৬

একজন চিকিৎসক দিয়েই চলছে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

একজন চিকিৎসক দিয়ে চলছে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ। সাতজন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র একজন চিকিৎসক। পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় বর্তমানে বিভাগটি শিক্ষানবিশদের দিয়েই চলছে। এ পরিস্থিতিতে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে দগ্ধ রোগীরা প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে এসে চিকিৎসক না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। এতে রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। 

সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের সেবা দেয়ার জন্য বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে একজনই চিকিৎসক রয়েছেন। কিছু শিক্ষানবিশ চিকিৎসক আর নার্সরাই সেবা দিচ্ছেন রোগীদের। তবে একজন চিকিৎসকের পক্ষে রোগীদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ নিয়ে রোগীদের অভিযোগও রয়েছে বিস্তর।

রমেক হাসপাতালে সেবা নিতে আসা আম্বিয়া খাতুন নামে একজন বলেন, গত দুদিন ধরে হাসপাতালে আসছি। চিকিৎসক নেই। তাই আজ আবার এসেছি। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। জানি না আজও চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পাবো কি না।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, খাতা কলমে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের দায়িত্বে সাত চিকিৎসক থাকলেও শুধু বিভাগীয় প্রধান এম. এ হামিদ পলাশকেই দেখা যায়। 

বার্ন ইউনিটে রোগী ও তাদের স্বজনের জানান, বার্ন ইউনিটে ভালো সেবা নেই। চিকিৎসক নেই। চিকিৎসা খরচও অনেক। স্যালাইন ছাড়া হাসপাতাল থেকে আর কিছুই দেয়া হয় না। শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা এসে মাঝে মধ্যে খোঁজ-খবর নেন। 

চলতি শীত মৌসুমে এখন পর্যন্ত এ ইউনিটে ৮ নারী ও দুই শিশুসহ ১৩ জন মারা গেছেন। চিকিৎসাধীন আছেন ২৫ জন। রোগীরা কাঙ্খিত সেবা না পেয়ে রাজধানী ঢাকায় ছুটছেন। আর যাদের সাধ্য নেই তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।  
 
তবে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি বার্ন ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান এম এ হামিদ পলাশ। তিনি বলেন, আমরা রোগীদের সেবা দেয়ার জন্য সব সময় কাজ করছি। এছাড়া হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোন রিসিভ করেননি।

Place your advertisement here
Place your advertisement here
রংপুর বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর