ব্রেকিং:
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে টিকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
  • শুক্রবার   ০৫ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ২০ ১৪২৭

  • || ২১ রজব ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
উন্নয়ন প্রকল্পে বেরোবি ভিসির অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে ইউজিসি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা আসছেন বৃহস্পতিবার করোনা: দেশে আপাতত টিকার ট্রায়াল হচ্ছে না করোনা: দেশে আপাতত টিকার ট্রায়াল হচ্ছে না প্রথম ধাপে কোভ্যাক্সের এক কোটি ৯ লাখ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ

উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে গ্রামগঞ্জে- মিঠাপুকুরের হচ্ছে ইকোপার্ক

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে রংপুরের শহর-বন্দর-গ্রামে। মিঠাপুকুর উপজেলার শালবনে সরকারিভাবে গড়ে উঠছে ইকোপার্ক। এটি হবে এ উপজেলার অন্যতম পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র।  মিঠাপুকুরে শাল্টি গোপালপুর এলাকার শালবনকে ঘিরে চলছে পার্কের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অবকাঠামো উন্নয়নের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছে। এখন তৃতীয় ধাপের কাজ চলছে। প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সীমানা প্রাচীরের কাজ অর্ধেক শেষ হয়েছে। বাকি কাজ দ্রুত শেষ করতে চলছে তোড়জোড়।

রংপুর বিভাগীয় বন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বনবিভাগের ২২৬ একর এলাকা নিয়ে ২০১৩ সালে শুরু হয় ইকোপার্কের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ। ওই সময় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় পাকা সড়ক, ২০টি ব্রেঞ্চ, দোলনা, পিকনিক স্পট, দর্শনার্থীদের বিশ্রাম কক্ষ, ওভারহেড পানির ট্যাঙ্ক, ছাতা, গোলঘর। কাজ পুরোপুরি শেষ না হতেই দর্শনার্থীদের আগাগোনা বেড়েছে এই পার্কে। পুরো প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারিভাবে চাহিদা ধরা হয়েছে ১শ’ কোটি টাকা।
২০১৩ সালের ১২ আগস্ট ইকোপার্কটি উদ্বোধন করেন রংপুর-৫ আসনের এমপি এইচএন আশিকুর রহমান। বিগত সাত বছরে সেখানে বেশ কিছু স্থাপনা ও অবকাঠামো দৃশ্যমান রয়েছে। দুই দফায় প্রায় এক কোটি টাকা বরাদ্দে নির্মাণ করা হয়েছে অফিস ভবন, টিকেট কাউন্টার, প্রবেশদ্বার, দোলনা, গণশৌচাগার, পানির ট্যাংক, বিশ্রামাগার, পিকনিক স্পট, পার্কিং এলাকা, গোলঘর, ছাউনি ও বসার জন্য বেঞ্চ। এছাড়া পার্কের ভেতর খনন করা হয়েছে ক্যানেল।

মিঠাপুকুরের এ শালবনে রয়েছে প্রায় ১৫০ বছরের পুরানো শাল গাছ। মাঝেমধ্যে উলডট, বাঁশ ও বেত বাগান করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী রয়েছে এ বনে। জাতীয় উদ্যান ঘোষণার পর এখানে শোভাবর্ধনকারী ও ভেষজ উদ্ভিদের বাগান সৃজন কর্মসূচি চলমান।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জীববৈচিত্র সংরক্ষণে পার্কটি দর্শনার্থীদের কাছে টানবে। পার্কের কার্যক্রম পুরোদমে চালু না হওয়ায় এখনো সেখানে বহিরাগতদের পাশাপাশি স্থানীয়রা ইচ্ছেমতো ঘোরাফেরা করতে পারছে। ইকোপার্ক জনসাধারণের জন্য এখনো উন্মুক্ত না হলেও বিভিন্ন দিবসে সেখানে মানুষের ঢল নামে। এরই মধ্যে পার্কটিতে অবমুক্ত করা হয়েছে অজগর, তক্ষক ও বনবিড়াল। এ কারণে নিরাপত্তা রক্ষায় পার্কের গভীর অরণ্যে জনসাধারণের প্রবেশে বিধিনিষেধ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সাকিব মণ্ডল ও রকি মাহমুদ বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে। ইকোপার্কের অনেক কাজ এখনো বাকি। দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করে পার্কটি চালু করা হলে অনেকের কর্মসংস্থান হবে। পাশাপাশি এখানে ব্যবসার পরিধিও বাড়বে।

গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল কবীর বলেন, তৃতীয় ধাপে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ চলছে। অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলে পার্কটি দৃষ্টিনন্দন হবে।

শাল্টি গোপালপুর বনবিট কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ও ইকোট্যুরিজম উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মিঠাপুকুর ইকোপার্কে উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২০১৩ সালে ইকোপার্ক নির্মাণে প্রথম বরাদ্দ মেলে। এরপর দুই ধাপে উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে। এখনো অনেক কাজ বাকি। বর্তমানে তৃতীয় ধাপের উন্নয়ন কাজ চলছে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here