ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আরো ৩ হাজার ২০১ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৯৬ জনে দাঁড়িয়েছে। মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬১৮ জনে। করোনা কেড়ে নিল টনি পুরস্কারের জন্য মনোনীত এই ব্রডওয়ে তারকা নিক করদেরো প্রাণ। আজ সোমবার (৬ জুলাই) সকালে অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন স্ত্রী আম্যান্ডা কলুটস।
  • সোমবার   ০৬ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২২ ১৪২৭

  • || ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪১

Find us in facebook
সর্বশেষ:
টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদনে ভারত-পাকিস্থানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ প্রবাসী কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ কোরবানির আগে চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণের সুযোগ দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশে করোনার পিক আওয়ার ছিল জুন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শেখ হাসিনা
১১৬

ইভারমেকটিন ওষুধে ‘বিস্ময়কর’ ফলাফল: এফডিএ

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৮ মে ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) থেকে অনুমোদিত ইভারমেকটিন ওষুধ করোনা চিকিৎসায় বিস্ময়করভাবে কাজ করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বিদেশে একাধিক পরীক্ষায় ইভারমেকটিন ওষুধ প্রয়োগে কার্যকর ফলাফল উঠে এসেছে। গবেষকরা বলছেন, ইভারমেকটিন সার্স-কোভ-২ ভাইরাসকে ধ্বংস করতে কার্যকরী।

গত ১৬ মে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. তারেক আলম ইভারমেকটিন ওষুধের কার্যকারিতা তুলে ধরেন। অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল মেডিসিন ইভারমেকটিন ও অ্যান্টিবায়োটিক ডক্সিসাইক্লিন ওষুধের মিশ্রণে মাত্র তিন দিনেই করোনা রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে জানান তিনি।

অধ্যাপক ডা. তারেক আলম বলেন, প্রায় দেড় মাস ধরে আমরা গবেষণা করছি। ৬০ জন রোগীর ওপর আমরা এ ওষুধ প্রয়োগ করেছি। প্রয়োগের মাত্র তিন দিনে ৫০ শতাংশ লক্ষণ কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। আর চার দিনে করোনাভাইরাস টেস্টের রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছে।

গবেষণায় অংশ নেওয়া অন্যান্য দেশের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে রোগীকে অন্যান্য সাধারণ ওষুধের সঙ্গে ইভারমেকটিন দেওয়া হয়। এতে কার্যকরী ফলাফল পাওয়া গেছে। ওষুধটি এখনো করোনা রোগীদের জন্য অনুমোদিত হয়নি।

২২ মে এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার জরুরি চিকিৎসক ড. পিটার এইচ হিবার্ড বলেন, আমি আশাবাদী ইভারমেকটিন ওষুধটি করোনা চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে চিহ্নিত হবে। তবে করোনা চিকিৎসায় এ ওষুধ এফডিএ কর্তৃক অনুমোদন দেওয়ার আগে আরও কিছুসংখ্যক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রয়োজন আছে। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ট্রায়ালে যেটি আমাদের আশা যুগিয়েছে সেটি হলো— এ ওষুধ গুরুতর অসুস্থ রোগীকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছে।

আরও স্বস্তির খবর হলো— করোনায় গুরুতর অসুস্থ রোগী যাকে অক্সিজেন দেওয়ার মাত্রা ছিল ৭০ শতাংশ, এ ওষুধ প্রয়োগে তা কমে ৫০ শতাংশে নেমে আসে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রোগীর অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। আর এক সপ্তাহের মাথায় তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

তবে ইভারমেকটিন ওষুধের সঙ্গে অন্য ওষুধের মিশ্রণ নিয়ে এফডিএ সতর্ক করেছে। কিছুক্ষেত্রে বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, পেট ব্যথা, মাথা ঘোরা, রক্তচাপে হঠাৎ হ্রাস, লিভারের সমস্যা ও অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।

Place your advertisement here
Place your advertisement here
জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর