ব্রেকিং:
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরো দুই হাজার ৫৪৫ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪৭ হাজার ১৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন আরো ৪০ জন। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৬৫০ জন। একদিনের আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যানে এটিই সর্বোচ্চ। ট্রেনের টিকিট শুধু অনলাইনেই বিক্রি হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। বসলো পদ্মাসেতুর ৩০তম স্প্যান: দৃশ্যমান সাড়ে ৪ কিলোমিটার গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ছয়জন নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে দুইজন স্বাস্থ্যকর্মী, তিনজন গার্মেন্টসকর্মী ও একজন মাওলানা।
  • রোববার   ৩১ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৭ ১৪২৭

  • || ০৮ শাওয়াল ১৪৪১

Find us in facebook
সর্বশেষ:
করোনা রোধে জনপ্রতিনিধিদের আরো সম্পৃক্তের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব অফিস খুলছে আজ করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানাতে চলবে মোবাইল কোর্ট পঙ্গপালের কারণে বিপর্যয়ের মুখে ভারত-পাকিস্তান দেশেই করোনাভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন আদিতমারীতে সব করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন
৪৪০

আগের মতো  ব্যস্ততা নেই রংপুরের বাঁশশিল্পিদের   

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

বংশ পরম্পরায় বাঁশ শিল্প নির্ভর কারিগরদের এখন আর আগের মতো  ব্যস্ততা নেই। নেই তাদের তৈরি জিনিসপত্রের চাহিদাও। হারাতে বসেছে বাঁশের তৈরি ডালি, কুলা, চালন, চাটাই ও খাঁচা। এক সময় গ্রামে-গঞ্জে, শহরে-বন্দরে ব্যাপক চাহিদা ছিল পরিবেশ বান্ধব এসব পণ্যের। বর্তমানে হাতে তৈরি বাঁশ শিল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। সময়ের সঙ্গে প্লাস্টিকের তৈরি পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এ হস্তশিল্প বিলুপ্তির পথে।

এদিকে যুগ যুগ ধরে চলে আসা বাঁশ শিল্প নির্ভর পরিবারগুলোতে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। আগের মতো বেচা-বিক্রি না থাকায় এসব কারিগররা অতি কষ্টে জীবনযাপন করছে। এভাবে চলতে থাকলে মুখ থুবড়ে পড়বে বাঁশ শিল্পের ভবিষ্যৎ। এমনকি বিলুপ্ত পণ্যের তালিকায় উঠবে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রংপুর সদরের সদ্যপুষ্করণী, তারাগঞ্জের ঘনিরামপুর, গঙ্গাচড়ার বেতগাড়ি ও মিঠাপুকুরের শঠিবাড়ি এলাকাতে কয়েকশ’ পরিবার সরাসরি বাঁশ শিল্পের পণ্য তৈরি সাথে জড়িত। চাহিদানুযায়ী বাঁশ দিয়ে বিভিন্ন আকার ও শৈলিতে ডালি, কুলা, চালন, চাটাই ও খাঁচাসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সাংসারিক সামগ্রী তৈরি হয়।
মিঠাপুকুরের শঠিবাড়ির সেরুডাঙ্গা এলাকায়ও বেশ কয়েকটি পরিবার এই শিল্প নির্ভর। তাদের প্রতিদিনের সকালটা শুরু হয় বাঁশের চাটাই, ডালি, কুলাসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী তৈরির মধ্য দিয়ে। যুগ যুগ ধরে এখানকার নারী-পুরুষরা বাঁশ দিয়ে বিভিন্ন পণ্য তৈরি করছে। অথচ তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন নেই। কথাগুলো কারিগর চিনু বালার। চার যুগেরও বেশি সময় ধরে তার মত আরো অনেকেই হাতে তৈরি বাঁশের সামগ্রী তৈরি করেছেন।

নন্দ কিশোর  বলেন, এখন একটা ভালো বাঁশ কিনতে গেলে চারশ' টাকার নিচে নেই। সেই বাঁশ দিয়ে কমপক্ষে আটশ' টাকার সামগ্রী তৈরি করা যায়। এর জন্য তিন-চার জনকে শ্রমও দিতে হয়। হাটে-বাজারে ঘুরে তারপরও সেগুলো বিক্রি করলে দুই থেকে তিন টাকা পর্যন্ত টিকে থাকে। এভাবে দিন দিন সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠেছে।

এদিকে রংপুর মহানগরীর লালবাগ হাট ও সিটি বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, বাঁশের তৈরি পণ্যের এক সময় খুব চাহিদা ছিল। তখন বিভিন্ন মৌসুমের আগে বাঁশের পণ্য সামগ্রী মজুদ করে রাখা হত। কিন্তু এখন তেমন চাহিদা নেই। সবখানে প্লাস্টিক পণ্যের ব্যাপক ব্যবহার বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতি শুধু শহরে নয় গ্রামেও রয়েছে বলে তারা জানান।

Place your advertisement here
Place your advertisement here
রংপুর বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর